1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
সিগারেটের আসক্তির বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: কীভাবে নিকোটিন মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণ করে? - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম
এআই চ্যাটবটে কখনোই যেসব সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করবেন না ঝিনাইদহ মহেশপুরে বজ্রপাতে গৃহবধূ নিহত মেসি ও এএফএ’র বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণা মামলা ঘিরে হাদি হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র ব্যবসায়ী হেলাল তিন দিনের রিমান্ডে এপ্রিল নয় মে মাসেও জ্বালানি তেলে কোনো সংকট থাকবে না অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব সহিংসতায় প্রশ্রয় ছিল : ডা. জাহেদ উর রহমান নতুন শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে চুক্তির উদ্যোগ বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার ২২ সদস্যের স্কোয়াড প্রায় চূড়ান্ত ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের হারাম উপার্জনে ইবাদত কবুল হয় না ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশ

সিগারেটের আসক্তির বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: কীভাবে নিকোটিন মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণ করে?

  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ২১০ বার পঠিত
সিগারেটের আসক্তি

ধূমপানের কারণে ফুসফুসের ক্ষতি সম্পর্কে আমরা অনেকেই সচেতন, তবে এটি মস্তিষ্কের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলে, তা অনেকেরই জানা নেই।

সম্প্রতি ‘অ্যানিমেটেড বায়োমেডিকেল’ নামক একটি সংস্থা একটি অ্যানিমেশন ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখানো হয়েছে, মাত্র ১০ সেকেন্ডের মধ্যে সিগারেটের নিকোটিন মস্তিষ্কে পৌঁছে যায় এবং তা ধূমপানের প্রতি আসক্তি তৈরি করে। এই ভিডিওটি ধূমপানের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।

মস্তিষ্কে নিকোটিনের দ্রুত প্রবেশ

সিগারেটের ধোঁয়া শ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়। নিকোটিন খুব দ্রুত মস্তিষ্কে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে, যা একজন ব্যক্তির অনুভূতি ও আচরণকে প্রভাবিত করে।

১০ সেকেন্ডের মধ্যেই নিকোটিন মস্তিষ্কের সেই অংশকে সক্রিয় করে, যা আনন্দ ও তৃপ্তির অনুভূতি তৈরি করে। ফলে, ধূমপায়ীরা ধীরে ধীরে এ অনুভূতির প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়েন এবং বারবার সিগারেট গ্রহণের প্রবণতা তৈরি হয়।

কীভাবে আসক্তি গড়ে ওঠে?

নিকোটিন মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটারগুলোর কার্যক্রমকে প্রভাবিত করে এবং ‘সুখ’ অনুভূতি সৃষ্টি করে। এটি এক ধরনের অস্বাভাবিক ভালো লাগার অনুভূতি সৃষ্টি করে, যা মস্তিষ্ক স্বাভাবিকভাবেই আরও বেশি চাইতে থাকে।

ধীরে ধীরে নিকোটিন ছাড়া সেই সুখানুভূতি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে এবং ব্যক্তি আরও বেশি সিগারেট খাওয়ার প্রবণতা দেখান। এভাবেই ধীরে ধীরে ধূমপানের প্রতি নির্ভরতা বাড়তে থাকে এবং তা আসক্তির রূপ নেয়।

নিকোটিনের প্রতি নির্ভরতা ও তাড়না

নিকোটিন শরীরে প্রবেশ করলে তা সাময়িকভাবে স্বস্তি ও আনন্দ দেয়, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শরীরে এর মাত্রা কমতে থাকে। ফলে ধূমপায়ী অস্থিরতা, বিরক্তি বা মানসিক চাপ অনুভব করেন এবং পুনরায় সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছা জাগে।

এভাবে ধূমপানের প্রতি এক ধরনের অনিয়ন্ত্রিত আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়, যা আসক্তির অন্যতম লক্ষণ। ধূমপায়ীরা প্রায়ই সারাদিন ধরে একাধিকবার সিগারেট গ্রহণ করেন, কারণ তাদের মস্তিষ্ক নিকোটিনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।

সিগারেট ছাড়ার চ্যালেঞ্জ

একবার সিগারেটের প্রতি নির্ভরতা তৈরি হলে তা ছাড়তে বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। যখন কেউ সিগারেট ছাড়ার চেষ্টা করেন, তখন বিষণ্নতা, বিরক্তি ও অস্থিরতার অনুভূতি দেখা দেয়।

এই কারণে অনেকেই আবার সিগারেট খেতে বাধ্য হন, কারণ এটি সাময়িক স্বস্তি এনে দেয়। তবে দীর্ঘমেয়াদে এটি মস্তিষ্কের ওপর ভয়াবহ নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি

সিগারেট খাওয়ার প্রভাব শুধু ফুসফুসে সীমাবদ্ধ থাকে না, এটি মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। দীর্ঘদিন ধরে ধূমপান করলে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে এবং চিন্তাশক্তির ক্ষতি হতে পারে।

অনেক ক্ষেত্রে ধূমপায়ীদের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়, যা অল্প বয়সেই মস্তিষ্কের কার্যকারিতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি

ধূমপানের ফলে মস্তিষ্কের রক্তনালিগুলো সংকুচিত হয়, যা ব্রেন স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়। নিকোটিন এবং অন্যান্য বিষাক্ত রাসায়নিক মস্তিষ্কের রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে, ফলে স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

তবে ইতিবাচক দিক হলো, সিগারেট ছেড়ে দিলে পাঁচ বছরের মধ্যে স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস পায়।

ক্যানসার ও অন্যান্য জটিলতা

সিগারেটে থাকা বিষাক্ত রাসায়নিক শরীরের বিভিন্ন অংশে প্রবেশ করে এবং ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। মস্তিষ্কের কোষগুলোও এসব ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্বারা প্রভাবিত হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

সিগারেট ছাড়ার উপকারিতা

সিগারেট খেলে ফুসফুসের রোগ, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তবে সিগারেট ত্যাগ করলে এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব এবং শরীর দ্রুত সুস্থতার দিকে ফিরে যেতে পারে।

সিগারেটের প্রতি আসক্তি থেকে দূরে থাকার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো একে একেবারে না শুরু করা। আর যদি কেউ ইতোমধ্যে ধূমপানের অভ্যাস গড়ে তোলেন, তবে দ্রুত এটি ছেড়ে দেওয়া উচিত, যাতে মস্তিষ্ক ও শরীরের ক্ষতি এড়ানো যায় এবং দীর্ঘমেয়াদি সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা সম্ভব হয়।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..